Last Update

জাতীয়

রাজনীতি

Monday, June 5, 2017

উগ্রবাদ দমনে একযোগে কাজ করতে হবে : খালেদা জিয়া

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে গত শনিবার সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, আর যাতে কোনো ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা না ঘটে তার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে একযোগে প্রস্তুত থাকতে হবে। কঠোর অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনে একযোগে কর্মপন্থা অবলম্বন করতে হবে। বেগম জিয়া লন্ডন ব্রীজের ফুটপাথে পথচারিদের ভিড়ের মধ্যে ভ্যান চালিয়ে পিষ্ট করে ও ছুরিকাঘাতে সাত জনকে হত্যা ও কমপক্ষে ৩০ জনকে আহত করার প্রাণবিনাশী রক্তাক্ত ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানান। আজ সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির রাতে লন্ডন ব্রীজে ভিড়ের মধ্যে ভ্যান চালিয়ে চাপা দিয়ে ও ছুরি নিয়ে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় সাত জনের প্রাণহানী ও কমপক্ষে ত্রিশ জন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় আমি গভীরভাবে বেদনার্ত ও শোকাহত হয়েছি। বিশ্বব্যাপী চলছে হানাহানী ও রক্তারক্তির সহিংস ঘটনা। বিশ্বমানবসম্প্রদায় এখন ভয়াবহ সন্ত্রাসের ঝুঁকির মধ্যে। আর এই সমস্ত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী রক্তাক্ত ঘটনা সংঘটিত করতে উগ্রবাদী সন্ত্রাসীরা গড়ে তুলেছে মানবসভ্যতাবিরোধী রক্তরঞ্জিত নেটওয়ার্ক। যুক্তরাজ্যে কয়েক মাসে রক্তপিপাসু সন্ত্রাসীরা যেভাবে সাধারণ পথচারি ও নিরীহ মানুষকে আকস্মিক আক্রমণ চালিয়ে হত্যা করেছে তা মানববিবেককে নিদারুণভাবে ব্যথিত করেছে, বিশ্ববাসীর হৃদয়ে অশ্রু ঝরেছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে যে মানবঘাতি বিকৃতপন্থা অবলম্বন করে উগ্রবাদী সন্ত্রাসীরা বিশ্বের দেশে দেশে বিভৎস ঘাতকের রুপে আবির্ভূত হয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে তাতে মানবজাতির অর্জিত সভ্যতা, সংস্কৃতি এখন হুমকির মুখে। এরা মানুষের অগ্রগতিকে বাধা দিয়ে সারা দুনিয়াকে আদিম অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে চায়। সুশাসন, আইন-শৃঙ্খলা ও মানুষের স্বাধীনতাকে নিজেদের পাশবিক ইচ্ছার অধীন করতেই সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া মরণখেলায় মেতে উঠেছে। এই রক্তপিপাসু দানবীয় শক্তিকে এই মূহুর্তে পরাজিত করতে হবে, দেশে দেশে এদের প্রাণঘাতি নেটওয়ার্ক নির্মূল করতে হবে। তিনি বলেন, গত শনিবার রাতে লন্ডন ব্রীজে সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ভ্যান চালিয়ে ও ছুরি দিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় যারা নিহত ও আহত হয়েছেন তাতে বেদনার্ত যুক্তরাজ্যবাসীর মতো আমিও সমব্যাথী। ধৈর্য্য ও সাহসিকতার সাথে এই সন্ত্রাসী ঘটনা মোকাবেলা ও অপরাধীদের শাস্তি বিধানে যুক্তরাজ্য সরকার সক্ষম হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। লন্ডনে গত শনিবার সংঘটিত সন্ত্রাসী ঘটনায় সাত জনের প্রাণহানী ও কমপক্ষে ত্রিশ জনের অধিক মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দূঃখ প্রকাশ করছি, নিহতদের আত্মার শান্তি ও আহতদের সুস্থতা কামনা করছি। অপর এক বার্তায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লন্ডন ব্রীজে ভিড়ের মধ্যে ভ্যান চালিয়ে চাপা দিয়ে ও ছুরি দিয়ে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত রক্তাক্ত সন্ত্রাসে হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এখন বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসীরা সাধারণ মানুষের জীবন কেড়ে নেয়ার উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। নির্মম ও পৈশাচিক কায়দায় হত্যা ও জখম করে মানুষের রক্ত নিয়ে হোলিখেলাকে তারা আনন্দ উৎসব বলে মনে করে। সন্ত্রাসীরা বন্য পশু’র হিং¯্রতাকেও হার মানিয়েছে। গত শনিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন ব্রীজে সংঘটিত সন্ত্রাসী ঘটনায় আমি নিহতদের প্রতি গভীর শোক এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। আহতদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং তারা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন এই কামনা করছি। আমি নিহতদের পরিবার-পরিজনসহ নিকটজনদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য যুক্তরাজ্য সরকার ও জনগণের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। অশুভ নেটওয়ার্ক দ্রুত খুঁজে বের করে এর সাথে জড়িত অপরাধীরদের শাস্তি নিশ্চিত হবে বলেও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

আবগারি শুল্ক না বাড়ানোর দাবি সরকারদলীয় হুইপের

ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক না বাড়িয়ে আগের হার বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সরকারদলীয় হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি জানান  শহীদুজ্জামান বলেন, ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গ্রামের মানুষ এক লাখ, দুই লাখ টাকা ব্যাংকে জমা রাখেন। এখন আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে আমানতের টাকা কেটে নেওয়া হবে। তিনি অর্থমন্ত্রীকে আবগারি শুল্ক না বাড়িয়ে আগেরটা বহাল রাখার আহ্বান জানান। এ ছাড়া ভ্যাটের আওতা কমিয়ে আয়কর ও অন্যান্য প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর পরামর্শও দেন সরকার দলীয় এই হুইপ।
তিনি বলেন, এটি করা গেলে জনগণকে আরও স্বস্তি দেওয়া যেত। এ সময় সঞ্চয়পত্রের সুদের হার না কমানোরও আহ্বান জানান শহীদুজ্জামান। তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্র কেনার লক্ষ্য ছিল ১৯ হাজার কোটি টাকা। হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্রের হারের ওপর যাতে কাঁচি না চলে। একে আরও সহজ করার যদি প্রক্রিয়া থাকে সেটা অনুসরণ করতে হবে। সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় সারা বছর ধরে রাজস্ব আদায় করতে এনবিআরের প্রতি আহ্বান জানান শহীদুজ্জামান সরকার। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। যার ১০ শতাংশ কমে আদায় হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায়।

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে : তোফায়েল

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আজ সোমবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য মোঃ আয়েন উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন। মন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার এবং বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, চাহিদা নির্ণয়, স্থানীয় উৎপাদন, মজুদ পরিস্থিতি, আমদানির পরিমাণ ইত্যাদি ধারাবাহিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সেই অনুযায়ী প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে গঠিত ‘দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেল’ প্রতিদিন বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন, টিসিবি এবং কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
তিনি বলেন, এ সব তথ্য বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে পণ্যভিত্তিক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্যাদি ভোক্তা সাধারণের নিকট বিক্রয়ের ফলে সাত কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৭০৩ টাকা সরকার ভর্তুকি প্রদান করছে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, সারাদেশে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ সব মোবাইল কোর্ট অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতারোধে জরিমানা আরোপ করা হয়। সরকারি দলের সদস্য সেলিনা বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঢাকাসহ সকল মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাজার পরিদর্শনমূলক অভিযান জোরদার করা হচ্ছে। সূত্র : বাসস

হাইকোর্টে অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন

আগামী ৯ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত সরকার ঘোষিত ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং কোর্টের অবকাশের কারণে সুপ্রিমকোর্টের নিয়মিত বিচার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময়ে জরুরী বিষয় শুনানি ও নিস্পত্তির জন্য সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিষ্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. আজিজুল হক স্বাক্ষরিত অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি অবকাশকালীন সময়ে জরুরী বিষয় শুনানি ও নিস্পত্তির জন্য হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে দেওয়ানি মোশন ও এ সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১১, ১৩, ১৫ , ১৮ ও ২০ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টেও মূল ভবনের ৮ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি এ,বি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে রিট মামলা শুনানির এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। এ বেঞ্চ ১১, ১৩, ১৮ ও ১৯ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ২ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি এস,এম মজিবুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে ফৌজদারি মোশন ও এ সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১১, ১২, ১৮ ও ১৯ জুন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ৯ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর একক বেঞ্চকে আদিম অধিক্ষেত্রাধীন বিষয়, কোম্পানী সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১২, ১৪, ১৯ ও ২১ জুন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ২১ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি আতাউর রহমান খানের একক বেঞ্চকে দেওয়ানি মোশন ও দেওয়ানি সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। এ বেঞ্চ ১১, ১২, ১৩ , ১৪, ১৫, ১৮, ১৯ ২০, ২১ ও ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের মূল ভবনের ৭ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি এম, মোয়াজ্জেম হোসেন ও বিচারপতি মো. সেলিম সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে দেওয়ানি মোশন ও দেওয়ানি সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১১, ১২, ১৮ ও ১৯ জুন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ২৭ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি আমির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে ফৌজদারি মোশন ও এ সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। এ বেঞ্চ ১১, ১২, ১৩ ১৪, ১৫, ১৮ ও ১৯ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ২৮ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে রিট মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১২, ১৩ ও ১৪ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ৪ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ-এর একক বেঞ্চকে দেওয়ানি মোশন ও দেওয়ানি সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। এ বেঞ্চ ১২, ১৩ , ১৮ ও ১৯ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ৩৪ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে রিট মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৮, ১৯, ২০ ও ২১ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের মূল ভবনের ২৭ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চকে ফৌজদারি মোশন ও এ সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দিয়েছেন। এ বেঞ্চ ১১, ১২, ১৩ ১৪, ১৫, ১৮ ও ১৯ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের ২৪ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ -এর একক বেঞ্চকে ফৌজদারি মোশন ও এ সংক্রান্ত মামলা শুনানির এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। এ বেঞ্চ ১১, ১৫ , ১৮ ও ২০ জুন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের মূল ভবনের ১১ নং বিচারকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বাসস

চান্দিনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষন মামলা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক ঈমাম হোসেন সরকার এর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত মাসের ২৫ মে ধর্ষিত ওই নারী কুমিল্লার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চেয়ারম্যান ঈমাম হোসেনকে প্রধান আসামী করে ৪জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। ১ জুন (বুধবার) চান্দিনা থানায় মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়। ঈমাম হোসেন সরকার সুহিলপুর গ্রামের অলি উল্লাহ সরকারের ছেলে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যরা হলেন- সুহিলপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক এর ছেলে জুয়েল, শালিখা গ্রামের আব্দুর রহমান এর ছেলে স্বপন ও বশিকপুর গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ঘোষনগর গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে শারমিন গত ২৪ মে বুধবার দুপুরে শারমিন আত্মীয়র বাড়ি থেকে রিক্সা যোগে ইলিয়টগঞ্জ বাস স্টেশন আসার সময় সুহিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান ঈমাম হোসেনসহ অন্যান্যরা তাকে আটক করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এছাড়া ধর্ষিতাকে বিবস্ত্র করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করার পর তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরসহ শ্বাসরূদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। শারমিনকে বহনকারী রিক্সার চালক আশ-পাশের লোকজনকে ডেকে এনে শারমিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। এব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, আদালত থেকে মামলা রুজু করার নির্দেশ পাওয়ার পর ইউপি চেয়ারম্যান ঈমাম হোসেনসহ ৪জনকে আসামী করে থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নওগাঁয় দীর্ঘ ৬ বছরেও নির্মিত হয়নি ছোট যমুনার উপর গার্ডার ব্রীজ

দীর্ঘ ৬ বছরেও নির্মিত হয়নি এলজিইডির তত্বাবধানে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নওগাঁর ছোট নদীর উপর ৮৭ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রীজের নির্মান কাজ। এই প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় নদীর দুই পার্শ্বের মানুষ চলাচল ও পারাপার করতে পারছেনা। মানুষ চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অফিসের উদাসীনতার, আর ঠিকাদারের অবহেলার কারনে এই দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা আরও জানায়, এই প্রকল্পে নিন্মমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে দিনরাত কাজ করছে। তড়িঘড়ি করে কাজ করতে ইতিমধ্যেই ষ্টীল সাটারিং ব্যবহার না করায় বাঁশের খুটি দিয়ে কাজ করতে গিয়ে বীমটি দেবে গিয়ে বাকা হয়ে গেছে। কার্যাদেশ অনুযায়ী নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে অবিলম্বে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে দূর্ভোগের হাত থেকে রক্ষার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানিয়েছেন। সুত্রে জানা গেছে, নওগাঁ শহরের পাশ দিয়ে ছোট যমুনা নদীর উপর দক্ষিন কালীতলা দক্ষিন সুলতানপুর রাস্তায় গাবতলী নামক স্থানে এলজিইডির তত্বাবধানে ৮৭ মিটার আর,সি,সি গার্ডার ব্রীজ নির্মানের জন্য গত ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে দরপ্রত্র আহবান করে। দরপ্রত্র অনুযায়ী সিলেটের শিবগঞ্জের মেসার্স জামিলা এনটারপ্রাইজ নামক একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩৯ টাকার কাজ পায়। ২৮ ডিসেম্বর কার্যাদেশ প্রদান করে দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে এই মর্মে শর্ত থাকে। স্থান পরিবর্তন, ডিজাইন সংশোধন এই অজুহাত দেখিয়ে ঠিকাদার কাজ শুরু করতে পারে নাই। কায়াদেশ পাওয়ার প্রায় বছর খানেক পর কাজ শুরু করে।
ক্জা শুরু করলেও ঠিকাদারের অবহেলা আর অফিসের উদাসিনতায় কাজ চলে ধীর গতিতে। দীর্ঘ ৬ বছরেও উক্ত প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারে নাই। ব্রীজের কাজ হয়েছে মাত্র ৪০ ভাগ। ব্রীজের দুই পার্শ্বের সংযোগ সড়কের, সিসিব্লকসহ অন্যান্য কাজ এখনও করতে পারে নাই। এই প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় নদীর দুই ধারের মানুষরা ডিঙ্গী নৌকায় কোন রকমে পরাপার করতে হচ্ছে। ব্রীজের ও দুই ধারের সংযোগ সড়কসহ অন্যান্য কাজ শেষ না হওয়ায় দুই পারের মানুষ চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অফিসের সাথে ঠিকাদারের যোগসাজসে ওই ব্রীজ ছিল পিসি গার্ডার, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ডিজাইন সংশোধন করে সেই ব্রীজটি গার্ডার ব্রীজ করে নেয়। ওই ব্রীজে প্রেড রডের পরিবর্তে নন গ্রেডেড রড ব্যবহার, (যা আঞ্চলিক ভাষায় সেমি অটো রড), ওপিসি সিমেন্ট ব্যবহারের কথা থাকলেরও পিসিসি সিমেন্ট ব্যবহার, (ওপিসি সিম-১, পিসিসি সিম-২) ঢালায়ের ক্ষেত্রে ডোমার বালি দিয়ে ঢালায় করতে হবে তাতে বালির এফ থাকতে হবে ২.৮ এফ,এম, কিন্তু সেখানে লোকাল বালি দিয়ে তার সঙ্গে সামান্য পরিমান ডোমার বালি দিয়ে ঢালায় করছে। এছাড়াও কার্যাদেশ অনুযায়ী ব্রীজে প্রায় সম্পূর্ন ষ্টীল সাটারিং দিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও ষ্টীল সাটারিং ব্যবহার না করে কাঠ ও বাশ সাটারিং ব্যবহার করছে। এতে করে ব্রীজের একটি অংশ ঢালায় করতে গিয়ে ব্রীজের পশ্চিম দিকের বাম পার্শ্বে দেবে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীরা আরও জানায়, অফিসের উদাসীনতা আর ঠিকাদারের অবহেলার কারনে এই দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে কার্যাদেশ অনুযায়ী দ্রুত কাজ শেষ করে দূর্ভোগের হাত থেকে রক্ষার। এ ব্যাপারে ওই প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োজিত প্রতিনিধি রিপন জানান, অফিসের ডিজাইন ভুলের এবং স্থান নির্ধারনের জটিলতার কারনে এবং নিজে সড়ক দুর্ঘটনার কারনে কাজটি করতে বিলম্ব হয়েছে। এ ব্যাপারে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এ,কে,এম বাদশা মিয়া কাজটি দেরী হওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ঠিকাদারের প্রতিনিধি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকার কারনে কাজটি করতে বিলম্ব হয়েছে। তবে, আগামী জুন মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হবে। তাহলে এই এলাকার মানুষ কৃষি পন্যসহ যাতায়াতের সুবিধা পাবে। উক্ত প্রকল্পে নিন্ম মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কথা তিনি অস্বীকার করেন। কাজটি দ্রুত শেষ হলে শহরের যানজট হ্রাস পাবে। দুই ধারের মানুষ উপকৃত হবে। ধান চাল পন্যসহ অতি অল্প সময়েই কম থরচে তাদের উৎপাদিত ফসল একস্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাবে। ফসলের নায্য মুল্য পাবে। এই এলাকার মানুষের একটাই দাবী দ্রুত কাজটি শেষ করার।

রাণীনগরে সরকারি গাছ কেটে নিল প্রভাবশালী মেম্বার

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার একডালা ইউপি’র আবাদপুকুর চৌরাস্তার মোড় থেকে কালীগঞ্জ যাবার বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রাস্তার দু’পাশের প্রায় ৬০-৭০টি শিশুগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির সরকারি গাছ স্থানীয় প্রভাবশালী মেম্বারের বিরুদ্ধে কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বলছে ২৫-৩০টি গাছ, অথচ স্থানীয়রা বলছেন ৬০-৭০টি গাছ। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। ঘটনার সাত দিন পার হলেও এখনো কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকায়। উপজেলা বরেন্দ্র অফিস সূত্রে জানা, উপজেলার আবাদপুকুর বাজারের চৌরাস্তার মোড় থেকে কালীগঞ্জ যাওয়ার রাস্তাটি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এবং এই রাস্তার বনমালীকুড়ি নামক স্থান পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশের বিভিন্ন প্রজাতির গাছগুলো বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আওতায়। সম্প্রতি বয়ে যাওয়া ঝড়ে এই রাস্তার কিছু গাছ ভেঙ্গে যায়। এই ভেঙ্গে যাওয়া ৫টি গাছ বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ২ হাজার টাকা জামানত নিয়ে একডালা ইউপির স্থানীয় সদস্য মো: হাসান মোল্লার মাধ্যমে নিলামে বিক্রয় করেন। বর্তমানে প্রায় এক মাস পার হলেও এই ৫টি গাছ না কেটে ইতিমধ্যেই রাস্তার দু’পাশের প্রায় ৬০-৭০টি শিশুগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সার্বিক সহযোগিতায় প্রভাবশালী স্থানীয় ইউপি মেম্বার দিনে ও রাতে এই গাছগুলো কেটে নিয়ে কালীগঞ্জ বাজারে বিক্রয় করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। অথচ নিলামে বিক্রয় করা ৫টি গাছ এখনো রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই জানান, বিগত দিনেও স্থানীয় প্রভাবশালী মেম্বারের ইন্ধনে এই রাস্তার দু’পাশের অনেক গাছ কাটা হয়েছে। সম্প্রতি রাস্তার দু’পাশের গাছ কাটার সময় সংশ্লিষ্ট লোকজনদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলে আমরা জানি না যে এই গাছগুলো কার। মেম্বার আমাদের গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে তাই আমরা গাছ কাটছি। তবে গাছগুলো কেটে পাশের কালীগঞ্জ বাজারে বিক্রয় করা হয়েছে বলে গোপন সূত্রে জানা। স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো: হাসান মোল্লা জানান, আমি লোকবলের অভাবে নিলামে কিনে নেওয়া গাছগুলো কাটতে পারছি না। বাকি গাছগুলো কেটে নেওয়ার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না আপনি একডালা ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলুন। তিনি এই বিষয়ে আমার চেয়ে ভালো জানেন। একডালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রেজাউল ইসলাম জানান, আমি শুনেছি যে দিনে ও রাতের আধারে কে বা কাহারা ওই রাস্তার দু’পাশের কিছু গাছ কেটেছে। তবে আমার কাছে এখনো এই বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। উপজেলা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মো: তিতুমীর হোসেন গাছকাটার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে জানান, ওই রাস্তার দু’পাশের ২৫-৩০টি গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কাহারা গাছগুলো কেটেছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে এই বিষয়ে যদি আমার কাছে ব্যক্তির নাম উল্লেখপূর্বক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব জানান, আমি বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা : বিলীন হচ্ছে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী

মাত্র এক থেকে দেড় যুগ আগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচর ও কুয়াকাটার গঙ্গামতি সমুদ্র সৈকতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ছিল সুদীর্ঘ বনাঞ্চল। কিন্তু আজ সে দৃশ্য বিরল। সত্তুরের দশকের ভয়াবহ বন্যা, এবং ২০০৭ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে সিডর, আইলা, মহাসেনসহ একাধিক প্রাকৃতি দূর্যোগ পাল্টে দিয়েছে উপকূলের চিত্র। এছাড়াও বনদস্যুদের ক্রমাগত উৎপাতে ধংস হচ্ছে উপকূলের বনাঞ্চল। এ দূর্যোগ থেকে প্রাকৃতিক দেয়াল স্থানীয়দের জীবন বাঁচালেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ প্রাকৃতিক দেয়াল এখন সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে হুমকির মুখে উপকূলীয় এলাকার লাখো মানুষ। বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী বন বিভাগের আওতায় দেড় লাখ একর জমিতে বনাঞ্চল রয়েছে। এরমধ্য দেড় দশকে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ৩ হাজার ৫শ একর জমির বনাঞ্চল ধংস হয়েছে। সমতালে বনদস্যুদের উৎপাতেও ধংস হয়েছে এ অঞ্চলের বনাঞ্চল। বনাঞ্চল রক্ষা করতে বন বিভাগ কর্তৃক বনদস্যুদের বিরুদ্ধে ৪৫৮টি মামলা আদালতে বিচারাধিন রয়েছে। এছাড়াও সাগরের পানিতে অতিরিক্ত লবনাক্ততা বৃদ্ধির সাথে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিনই লন্ড-ভন্ড করে দিচ্ছে রাঙ্গাবালীর সোনারচর সৈকত ও কুয়াকাটা গঙ্গামতি সৈকতের মনোমুগ্ধকর সবুজ বনায়ন। সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে বালুর স্তর প্রতিদিনই ৫/১০ ইঞ্চি পর্যন্ত নেমে যাওয়ায় গাছের কান্ড ভেঙ্গে পড়েছে, কোন কোন গাছের শেকড় বের হয়ে যাওয়ায় এসব গাছ খাদ্য সংগ্রহ করতে না পারায় মরে যাচ্ছে, গাছের গোঁড়ার মাটি, বালি ধুয়ে যাওয়ায় মরে যাচ্ছে গেওয়া, কেওড়া, ছইলাও নারিকেল গাছগুলো। আবার অনেক গাছের পাতা ও কান্ড মরে বিবর্ন হয়ে যাচ্ছে। উদাহরন হিসেবে বলা যায় সোনার চরের সেই সরু পথের দুই পেশের ঝাউগাছ আর কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকতের ফয়েজ মিয়া সেই নারিকেল এবং ঝাউবন এখন শালবন পুরোন পর্যটকদের কাছে এখন শুধুই স্মৃতি। অবস্থা এতটাই ভয়াবহ যে আগামী দু/এক বছরের মধ্যে সমুদ্র পারের এসব গাছ মরে গেলে প্রকৃতি-পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হবে। যার ফলে এ অঞ্চলের মানুষের বসবাসে চরম বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের পাশা-পাশি বনদস্যুদের কারণে প্রতিনিয়ত ধংস হচ্ছে সবুজ বনায়ন। এক শ্রেনীর প্রভাবশালী মহল র্নিদিধায় প্রতিনিয়ত বনাঞ্চল ধংসে করে চলছে। বনাঞ্চল সংরক্ষন নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং কর্তৃপক্ষের উদাসিনতার কারণে বনাঞ্চল ধংস হওয়ার একমাত্র কারণ বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মত এ জেলায় গড়ে উঠছে ইটের ভাটা। আর এসকল ইটের ভাটায় ব্যবহার হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের চোরাই কাঠ। যে কারণে পরিবেশ বিপর্যয়ের আরো একটি বৃহৎ কারন অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা ইটের এই ভাটা। স্থানীয় বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গোপসাগর তীর ঘেষে বিশ হাজার ছাব্বিশ হেক্টর সংরক্ষিত বনভূমি নিয়ে জেগে ওঠে সোনার চর। সেখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ বনভূমির পাশাপাশি সাত কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত।
কুয়াকাটার ন্যায় সোনার চরের সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়েও সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। এপর দিকে ষাটের দশকে বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধের বাইরে গঙ্গামতি, কুয়াকাটার সৈকত লাগোয়া বালুচরে ম্যানগ্রোভ জাতের বৃক্ষের বনায়ন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গেওয়া, কেওড়া, ছইলা গাছ। ওই সময় ১১শ একর ভূমিতে ম্যানগ্রোভ প্রজাতির বাগান করা হয়েছিল। বন বিভাগের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, কুয়াকাটা ও গঙ্গামতি সৈকত এলাকার প্রায় ২০ হাজার গেওয়া, কেওড়া ও ছইলা গাছ বর্তমানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সমুদ্রের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবনাক্ততার পরিমান বৃদ্ধির ফলে সাগর পার ঘেষা প্রাকৃতিক ভাবে জম্মানো বনাঞ্চল ও বন বিভাগের বাগান এখন হুমকির মুখে পড়েছে। প্রচন্ড লবনাক্ততায় এসব গাছ মরে যাচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারনা করছেন। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাগরে পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় এসব প্রাকৃতিবভাবে জন্মানো বাগানের কোন প্রটেকশন না থাকায় ধারাবাহিক জ¦লোচ্ছাসের ঝাপটায় মাটির স্তর ধুইয়ে নেমে যাওয়ায় প্রতিদিনই ভেঙ্গে যাচ্ছে বনাঞ্চল। এছাড়া সমুদ্রের পানির বিষাক্ততায় বৃক্ষরাজি মাটি ও বালি থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গ্রহন করতে পারছেনা। যার ফলে গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে, ও গাছের মূল ধূসর বর্ণের হয়ে ক্রমান্বয়ে মরে যাচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ন কবীর হাওলাদার বলেন, বৈষ্ণিক উষ্ণতার কারনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে বরফ গলে যাওয়ার কারনে সাগর নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে গেছে। সেই সাথে পানিতে লবনাক্ততার পরিমান বেড়ে যাওয়ায় ৫০/৬০ বছর পূর্বে সৃষ্টি প্রকৃতিক বনাঞ্চল ও বন বিভাগের লাগানো বনাঞ্চল বিপরীত প্রতিকূলতায় এখন মরে যাচ্ছে। তারমতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে এখন সাগরের পানির স্তর ক্রমশই বাড়ছে। এ কারনে বেশি করে গাছ লাগালে প্রাকৃতিক এ দূর্যোগ থেকে উপকূলের মানুষ রক্ষা পেতে পারে। পরিবেশ বান্ধব, পর্যটন সংরক্ষন সমিতি ও নদী রক্ষা কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ ওমর আজম জানান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় আর্ন্তজাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন। নদী/জলাশয় রক্ষায় উচ্চ আদালত কর্তৃক নির্দেশ থাকা সত্যেও তা বাস্তবে কেউ মানছেনা। পুরোন নকশা ভিত্তিক যে সকল খাল/জলাশয় রয়েছে তা পূনরুদ্ধারের দাবী এবং দখল মুক্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বনাঞ্চল রক্ষা এবং নতুন নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টি করতে হবে। পটুয়াখালী উপকূলীয় বন কর্মকর্তা অজিত কুমার রুদ্র জানান, জলবায়ু পরিবতৃন বিরুপ প্রভাবের কারণে ধীরে ধীরে লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক প্রজাতির গাছ মারা যাওয়ার প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বন বিভাগ জলাবায়ু পরিবর্তন রোধে উপকূলীয় এলাকা জুড়ে নতুন জেগে ওঠা চর ভুমিসহ সকল বন ভুমিতে বনায়ন কার্যক্রম অব্যবাহত রেখেছে এবং লবন সহিষ্ণু ম্যানগ্রোভ প্রজাতির চারা দ্বারা বনায়ন উদ্যোগ নিচ্ছে।

লন্ডন হামলার দায় নিল আইএস

ম্যাঞ্চেস্টারের পর লন্ডন, ফের হামলার দায় নিল আইএস। নিজেদের অনলাইন মুখপাত্র ‘‌আমাক’‌–এ হামলার দায়স্বীকার করেছে তারা। লিখেছে, ‘‌আইএস যোদ্ধারাই লন্ডনে হামলা ঘটিয়েছে।’‌‌ শনিবার রাতে লন্ডনে দু’‌–দু’‌টি হামলা চালায় তিন হামলাকারী। রাত ১০টা নাগাদ প্রথমে লন্ডন ব্রিজে ৫ পথচারীকে পিষে দেয়। তারপর স্থানীয় বরো মার্কেটের এলিয়ট ক্যাফেতে ছুরি হাতে চড়াও হয়। সেখানে বেশ কয়েকজনকে কোপায়। আল্লাহর জন্যই এই হামলা চালাচ্ছে বলে দাবি করে। তবে মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যেই তাদের খতম করতে সক্ষম হয় লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। হামলায় মোট সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। জখম হয়েছেন ৪৮ জন। কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠনটির সদস্যরাই হামলা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তের পরই অনুমান করেছিলেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা।
রোববার আইএসের ওয়েবসাইট তা নিশ্চিত করেছে। পুলিসের গুলিতে নিহত তিন হামলাকারীর নাম–পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি ব্রিটিশ প্রশাসন। তবে তারা সরাসরি আইএসের সঙ্গে যু্ক্ত ছিল বলে মানতে নারাজ গোয়েন্দারা। তাদের দাবি, ‘দীর্ঘদিন ধরেই একক হামলা চালাতে সমর্থকদের উৎসাহ দিচ্ছিল আইএস। পবিত্র রমজান মাসেও যাতে রক্তপাত জারি থাকে সেজন্য বেশ কিছুদিন আগে থেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচার চালাচ্ছিল তারা। সংগঠনের পত্রিকাতেও তেমন নির্দেশ দেয়া হয়। বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব না হলে, গাড়ি চাপা দিয়ে অথবা ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই হামলাকারীরা শনিবার হামলা চালিয়েছে। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাদের মতে, মার্কিন যৌথবাহিনীর হানায় সিরিয়া ও মসুলে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে আইএস। কিন্তু দুনিয়াজুড়ে এখনো তাদের যথেষ্ট সংখ্যক সমর্থক রয়েছে। পশ্চিমি দেশগুলিকে সেই বার্তা দিতেই একের পর এক নাশকতা ঘটাতে মদত দিচ্ছে তারা। এর আগে ২২ মে ম্যাঞ্চেস্টার অ্যারিনা স্টেডিয়ামে হামলারও দায় নিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের এই সংগঠন।

কাশ্মীরে ভারতীয় সৈন্যদের সাথে সংঘর্ষে নিহত ৪

গোলযোগপূর্ণ কাশ্মীরে ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের সাথে সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোরে হামলাকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর একটি ক্যাম্পে হামলার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে। এক মুখপাত্র বলেন, হামলাকারীরা ভোরের আগে ভারত শাসিত কাশ্মিরের সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) এর একটি ক্যাম্পের বাইরে গ্রেনেড বিস্ফোরণ করে এবং স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের সাহায্যে হামলা চালায়।
সিআরপিএফের মুখপাত্র ভুবেশ চৌধুরী বলেন, ‘তারা ক্যাম্পে হামলার চেষ্টা করে। তবে তাদেরকে ক্যাম্পের গেটের ভেতরেও ঢুকতে দেয়া হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘অত্যন্ত সফল ও চমৎকার এই অভিযানে হামলাকারীদের চারজনই নিহত হয়েছেন। আমাদের পক্ষের কেউ আহত হয়নি।’ লাশগুলো থেকে চারটি রাইফেল, গ্রেনেড ও অন্যান্য গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

লন্ডনে ছুরিকাঘাতে মুসলিম কিশোরের মৃত্যু

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের একটি রাস্তায় ছুরিকাঘাতে আবদুর রহমান মোহাম্মদ নামে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টার পরপরই দক্ষিণ লন্ডনের পেকহ্যাম এলাকার সাউথহ্যাম্পটন সড়কে টেসকো এক্সপ্রেস স্টোরের কাছে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। ঘটনার প্রত্যদর্শী কেউ আছে কি না তা খুঁজে দেখছে পুলিশ। নিহত আবদুর রহমান পেকহ্যামের পার্শ্ববর্তী ক্যাম্বারওয়েলের বাসিন্দা। তাকে নিয়ে চলতি বছর লন্ডনে ছুরিকাঘাতে নিহত কিশোরের সংখ্যা আটজনে দাঁড়াল। সূত্র : বিবিসি

গভীর রাতে চলন্ত বাসে আগুন, নিহত ২২

ভারতের উত্তর প্রদেশে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে বাসে আগুন লেগে ২২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৯ জন। রোববার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে। বাসটি দিল্লি থেকে উত্তর প্রদেশের গণ্ডায় যাচ্ছিল। পথে একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে বাসটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় মৃত্যু হয় একাধিক যাত্রীর। পরে গুরুতর অবস্থায় বাকিদের স্থানীয় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২২।
তবে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, যেহেতু দুর্ঘটনাটি মধ্যরাতে হয়েছে সেই সময় অধিকাংশ যাত্রীরাই ঘুমোচ্ছিলেন। কিছু বোঝার আগে বাসটিতে আগুন লেগে যায়। এর ফলে তারা বাসের ভেতর থেকে বেরোতে পারেনি। তবে ২০ জনের মতো যাত্রী বাস থেকে বাইরে বেরোতে পারেন। তাদের মধ্যেও বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 
Back To Top